নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সাতজন গুলিবিদ্ধসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন। গতকাল বিকাল ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নোয়াখালী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আরএমও সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম জানান, গুলিবিদ্ধ আহত সাংবাদিক বুরহান উদ্দিন মুজাক্কির ও কামাল উদ্দিনের বুকে, গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের দুজনকেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হবে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মীর জাহিদুল হক রনি জানান, বিকাল ৫টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাপরাশিরহাট পূর্ব বাজার এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তুতি নেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল। এ সময় সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে একটি মিছিল বাজারের দলীয় কার্যালয়ে দিকে যায়। হঠাৎ করে ওই মিছিলে আবদুল কাদের মির্জার সমর্থক জামাল উদ্দিন লিটনসহ কিছু লোক বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।
এ বিষয়ে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে লাইভে এসে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি ইন্ধনদাতা হিসেবে একরামুল করিম চৌধুরী, ফেনীর নিজাম হাজারির সন্ত্রাসী বাহিনী পুলিশের সহযোগিতায় হামলা করে বলে অভিযোগ করেন।
অন্যদিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল বলেন, বিকালে আমার বাড়িতে ওবায়দুল কাদেরসহ দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে আগামীকালের সংবাদ সম্মেলন বিষয়ে আমাদের প্রস্তুতিমূলক সভা চলাকালে বাড়ির বিভিন্ন দিক থেকে অনবরত গুলি আসতে থাকে। এ সময় সবাই ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। হামলায় আমার অন্তত ৫০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।










