চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সাত বছর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুন নেসা খানমের আদালতে মামলাটি করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক নাজিম উদ্দিন।
মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা
হাছান মাহমুদসহ ৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সাত বছর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরো ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (১৯ আগস্ট) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুন নেসা খানমের আদালতে মামলাটি করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক নাজিম উদ্দিন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন— চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, রাঙ্গুনিয়া রাজানগর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুছ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু তৈয়ব ও সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদের ভাই খালেদ মাহমুদসহ অন্যান্যরা।
বাদীর আইনজীবী এনামুল হক জানান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়ি বহরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ ৮৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা আবেদন করা হয়। আদালত শুনানি শেষে মামলাটি রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনা সরেজমিন পরিদর্শন করতে মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল রাঙ্গুনিয়ার হয়ে রাঙামাটি যাওয়ার পথে ২০১৭ সালের ১৮ জুন রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালী এলাকায় লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এসময় হামলায় মির্জা ফখরুল ইসলামসহ অনেকে আহত হন। বিএনপির প্রতিনিধিদল রাঙামাটি না গিয়ে চট্টগ্রাম শহরে ফিরে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে হামলার ঘটনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে দায়ী করেন।










