বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রাতে নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এতে প্রায় আট হাজার তৈরি পাসপোর্ট ও ল্যাবসহ বিভিন্ন সামগ্রী পুড়ে যায়। কম্পিউটার, আসবাবপত্র, এসিসহ বিভিন্ন জিনিস লুট হয়ে যায়। এর পর থেকেই বন্ধ ছিল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস। সংস্কার শেষে নয় মাস পর আবারো চালু হয়েছে সেবা কার্যক্রম। গতকাল সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে অফিসটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

তিনি বলেন, ‘পাসপোর্ট অফিস হবে দালালমুক্ত। কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই মানুষ পাসপোর্ট করতে পারবে। কোনো অভিযোগ পেলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। এছাড়া রোহিঙ্গারা যাতে কোনো অবস্থায় বাংলাদেশী পাসপোর্ট গ্রহণ করতে না পারে, সেদিকে নজর রাখা হবে।’

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক জামাল হোসেন বলেন, ‘জনগণ যেন আগের চেয়ে ভালো সেবা পায়, সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাব। গত বছরের ১৬ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলার সময় দুর্বৃত্তরা পাসপোর্ট অফিসে আগুন দেয়। এতে আট হাজার পাসপোর্ট পুড়ে যায়। এর মধ্যে সাত হাজার পাসপোর্ট ঢাকার আগারগাঁও অফিস থেকে বিতরণ করা হয়েছে। বাকি এক হাজার এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এখন থেকে পুরোদমে আবেদনপত্র জমা, ছবি ও বায়োমেট্রিক দেয়া যাবে। গত বুধবার রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন নেয়া শুরু হয়েছে। এখন পুলিশ ভেরিফিকেশনের প্রয়োজন নেই। শুধু অনলাইন কপি, ভোটার আইডি কার্ড, অনলাইন জন্ম সনদ থাকতে হবে। তা দিয়েই পাসপোর্ট করতে পারবেন গ্রাহকরা।’