অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার, কাঁচা মাংসের সঙ্গে বাসি খাবার সংরক্ষণসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে রাঙ্গামাটির তিনটি রিসোর্টকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে বার্গী লেকভ্যালী রিসোর্টকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। রিসোর্টটিতে কাঁচা মাছ-মাংসের সঙ্গে রান্না করা বাসি খাবার সংরক্ষণ, অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ খাবারে ব্যবহার এবং কটেজের কক্ষভাড়া ও খাবারের মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে না রাখার অভিযোগ পাওয়া যায়।

রিসাং রিসোর্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কটেজের কক্ষভাড়া ও খাবারের মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে না রাখা এবং অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ খাবারে ব্যবহারের কারণে এ জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, রেং রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সেখানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছিল। রান্নাঘরে রান্নার উপকরণের ওপরে মাকড়সার জাল ও একাধিক মাকড়সার উপস্থিতিও পাওয়া যায়।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তামজিদ রহমান এবং জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের রাঙ্গামাটি জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) রানা দেব নাথ যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় কোতোয়ালি থানা পুলিশের একটি দল সার্বিক নিরাপত্তায় উপস্থিত ছিল।

অভিযান শেষে রানা দেব নাথ জানান, অননুমোদিত ও আমদানিকারকবিহীন কাশ্মীরি মরিচ ব্যবহার, মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে না রাখাসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে তিনটি রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে আবাসিক হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টগুলোকে সেবার মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে রাখার এবং তালিকায় উল্লেখ করা মূল্যের চেয়ে বেশি দাম না নেয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।