ঝিনাইদহে
সরকারি চাল আত্মসাতের অভিযোগে হওয়া মামলায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনজুর রাশেদকে কারাগারে
পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৩ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা
জজ আদালতের বিচারক মো. নাজিমুদৌলা এ আদেশ দেন।
আসামি মনজুর রাশেদ জেলার হরিনাকুন্ডু উপজেলার তাহেরহুদা
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
মামলার
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমাইল হোসেন
জানান, গত ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি চাল বিতরণ
না করে গোডাউনে মজুদ রাখেন অভিযুক্ত
চেয়ারম্যান। ভিজিএফের ৫০ কেজি ওজনের ৩৮ বস্তা চাল গোডাউনে মজুদ করে রাখার উপযুক্ত
কারণ দর্শাতে পারেননি তিনি।
পরে ওই গোডাউন সিলগালা করে রাখেন হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুস্মিতা সাহা। এ ঘটনার জেরে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুর রহমান গত ১ মে মনজুর রাশেদকে অভিযুক্ত করে হরিনাকুন্ডু থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ৯ মে রাশেদ উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন। ওই সময় আদালত উচ্চ আদালত তাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেয়ার আদেশ দেন। উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করে আজ সোমবার নিম্ন হাজির হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার পর চেয়ারম্যান
মনজুর রাশেদ চলতি বছরের ৯ মে উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিন নেন। সেই সাথে উচ্চ
আদালত ৬ সপ্তাহের মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেওয়ার আদেশ দেন। আদালতের
আদেশ অমান্য করে সোমবার আদালতে হাজির হলে আদালত জামিন মঞ্জুর না করে কারগারে
পাঠানোর নির্দেশ দেন।










