বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা ও পুষ্টি উন্নয়নে দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম। গতকাল সকালে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

উপদেষ্টা বলেন, ‘স্কুল ফিডিং কার্যক্রম বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ার পাশাপাশি নিশ্চিত হবে পুষ্টির মান। সেই সঙ্গে বাড়বে শিক্ষার মানও।’

উদ্বোধনী অনুঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মোহাম্মাদ মাসুদ রানা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান, প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ ও ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আরিফুর রহমান।

উদ্বোধনী দিনে ৩৭৫ শিক্ষার্থীকে পুষ্টিকর খাবার, ব্যাগ, পানির পট দেয়া হয়। সপ্তাহে পাঁচ স্কুল দিবসে ফর্টিফায়েড বিস্কুট, কলা বা মৌসুমি ফল, বানরুটি, ডিম ও ইউএইচটি দুধ পাবে শিক্ষার্থীরা। ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রকল্প মেয়াদকালে দেশের নির্বাচিত ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ১৩ হাজার শিক্ষার্থী আসবে স্কুল ফিডিং কর্সূচির আওতায়।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মোহাম্মাদ মাসুদ রানা বলেন, ‘পর্যায়ক্রমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং কার্যক্রম চালু হলে শিশুদের উপস্থিতির হার হবে শতকরা ৮০ শতাংশ এবং কমবে ঝরে পড়ার হার।’