এর আগে বোরবার রাতে আদালতের কর্মচারী আশ্রাফুজ্জামান রাসেল বাদী হয়ে ওই দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগের মামলাটি করেন। আশ্রাফুজ্জামান রাসেল লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের স্টোনোগ্রাফার।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আবু তৈয়র নামে এক আইনজীবীর করা চুরির মামলায় দুই আসামির জামিনকে কেন্দ্র করে আদালত বর্জন করে আইনজীবীরা। এ ঘটনায় রোববার দুপুরে ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের উপস্থিতিতেই এজলাসের কর্মচারীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন আইনজীবীরা। এ সময় মারধরের শিকার হয়ে আহত হন আশ্রাফুজ্জামান রাসেল। এ ঘটনায় সঙ্ঘবদ্ধভাবে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন তিনি।
এদিকে দুই আইনজীবী বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটিকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. রফিক উল্যাহ। তিনি বলেন, ‘সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুর ইসলামের সঙ্গে আইনজীবীদের মত পার্থক্য রয়েছে। ওই ম্যাজিস্ট্রেটের ত্রুটি আড়াল করার জন্যই স্টোনোগ্রাফারকে দিয়ে মামলাটি করানো হয়েছে। আইনজীবী সমিতি পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে সিদান্ত নেবে।’
এর আগে গত ৬ জুন রায়পুর প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক আহমেদ কাউসার উদ্দিন জামানের (৩৫) বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেন তার প্রতিবেশী লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের আইনজীবী আবু তৈয়র। পরে ১০ জুন আসামিদের রিমান্ড নামঞ্জুর করে অভিযুক্তকে জামিন দেন ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলাম। এ ঘটনার জেরে এম সাইফুল ইসলামের আদালত বর্জনের ঘোষণা দেন আইনজীবীরা।










