প্রথম পর্যায়ের সাতটি ইভেন্টকে নিয়ে একই সঙ্গে দেশের ৬৪ জেলায় এ কর্মসূচি শুরু হবে। গতকাল দুপুরে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটসহ সারা দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে সব জাতীয় ক্রীড়াবিদকে বেতন কাঠামোর আওতায় এনে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করেছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগামী শিক্ষাবর্ষে চতুর্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়া বৃত্তি প্রদান করা হবে। একটি সুস্থ জাতি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।’ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার উন্নয়নের নামে মেগা দুর্নীতি করেছে অভিযোগ করে আমিনুল হক বলেন, ‘অতীতে উন্নয়নের নামে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যার প্রতিফলন সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জীর্ণ অবস্থা।’
ক্রীড়া কার্ড প্রদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গত এক বছরে দেশের হয়ে পদক জেতাদের পুরস্কৃত করা হয়েছে। প্রথম দিন ১২৯ জনকে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে, আগামী সাতদিনের ভেতরেই বাকি ৫০০ জনকে প্রদান করা হবে।’
মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে এশিয়া কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ ফুটবল দলের পরাজয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হেরে যাওয়ায় হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা অতীতকে মনে রাখব, অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব।’










