কুড়িগ্রামে রেলপথ সংস্কার কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। বিষয়টি তদন্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাশাপাশি জেলা প্রশাসনও। অভিযোগ রয়েছে দূর থেকে মাটি এনে রেললাইন ভরাট করার কথা থাকলেও লাইনের পাশের মাটি দিয়েই ভরাট করা হয়েছে। আবার কোথাও কোথাও মাটিই ফেলা হয়নি।
প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের উলিপুর থেকে চিলমারীর রমনা স্টেশন পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার রেলপথ উন্নয়নে প্রায় ৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। উন্নয়ন কাজের মধ্যে রয়েছে রেললাইনের দুপাশে মাটি ভরাট, ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে সুরক্ষা দেয়াল নির্মাণ, নয়টি রেলসেতু সংস্কার, পাথর ফেলে কংক্রিটের স্লিপার বসানো ও নতুন লাইন স্থাপন।
এদিকে শুরুতে অনিয়ম হলেও কোনো ধরনের দুর্নীতি ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ে বাকি কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন রেল-নৌ যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠনের নেতারা।
এ ব্যাপারে রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি নাহিদ হাসান নলেজ বলেন, ‘প্রকল্পের কাজের আর মাত্র ছয়-সাত মাস বাকি। বিশ্বাস কনস্ট্রাকশন শুরুতে অনিয়ম করেছে। আমরা চাই, যাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাকি কাজ ভালোভাবে করা হয়। যেন রেললাইন সংস্কার কাজে তদারকি আরো বাড়ানো হয়।’
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অনিয়মের বিষয়টি দুদক তদন্ত করলেও কোনো মন্তব্য করতে চাননি সংশ্লিষ্টরা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাউকে পাওয়া না গেলেও কথা বলতে নারাজ রেল বিভাগও। তবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ। তিনি বলেন, ‘আমরা সরজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছি।’










