দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রায় ২২ বছর পর আজ খুলনা সফরে গিয়েছেন। বেলা ১১টায় নগরীর খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠে শুরু হয় এ নির্বাচনী জনসভা। সেখানে পৌঁছেছেন তারেক রহমান। জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন তিনি।

এদিকে, তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে শহর ও আশপাশের জেলাজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সকাল থেকেই সমাবেশে আসতে থাকেন নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। এ সমাবেশ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা, বাগেরহাট এবং সাতক্ষীরা জেলার ১৪টি সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপি নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভায় খুলনার বন্ধ মিল-কলকারখানা চালু, দক্ষিণাঞ্চলে পাইপ লাইনে গ্যাস, সুন্দরবন কেন্দ্রিক ট্যুরিজম, তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) সেক্টরের উন্নয়ন, কর্মসংস্থানসহ গ্রিন এবং ক্লিন খুলনার প্রতিশ্রুতি প্রত্যাশা করছেন। একই সঙ্গে জনসভায় খুলনার উন্নয়নের রূপরেখাও তুলে ধরবেন তিনি। এছাড়াও সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জান-মাল রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বেকার যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মিল-কারখানা পুনরায় চালু, খুলনায় গ্যাস সংযোগ নিশ্চিতকরণ এবং নতুন ইকোনমিক জোন নির্মাণসহ দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণের নানা পরিকল্পনাও দলীয় প্রধানের বক্তব্যে গুরুত্ব পাবে।

নগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা বলেন, তারেক রহমানের খুলনা সফর কেবল একটি নির্বাচনী কর্মসূচি নয়, বরং দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে সাহস, আত্মবিশ্বাস এবং মনোবল পুনরুদ্ধারের একটি মুহূর্ত। যারা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন ও সংগ্রামে নিয়োজিত রয়েছেন, তাদের জন্য এই সফর অনুপ্রেরণার এক নতুন উৎস হিসেবে কাজ করবে। ২২ বছর পর আমাদের প্রিয় নেতাকে তার নিজ শহরে দেখা আমাদের জন্য আবেগ, গর্ব এবং সম্মানের বিষয়।

উল্লেখ্য, এর আগে তারেক রহমান ২০০৪ সালে খুলনা সফরে এসেছিলেন। তিনি শহরের জিয়া হল অডিটোরিয়ামে তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি নেতা-কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন।