নোয়াখালীর হাতিয়া চেয়ারম্যান ঘাটের দক্ষিণ-পশ্চিমে মেঘনা নদীতে বরযাত্রীসহ ইঞ্জিনচালিত ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। এ সময় নববধূসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। গতকাল বেলা ২টার দিকে হাতিয়ার কেয়ারিংচর থেকে বর-কনেসহ ৮০-৮৫ জন যাত্রী নিয়ে ডালচর যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন চানন্দী ইউনিয়নের আজিম নগর গ্রামের মো. ইব্রাহিমের মেয়ে নববধূ তাছলিমা আক্তার (২১), নোয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামের আফরিন আক্তার লামিয়া (২), একই গ্রামের আক্তার হোসেনের মেয়ে আছমা বেগম, আলমগীর হোসেনের ছেলে লিলি আক্তার (৮), হাতিয়ার কালাদুরের ফয়েজ উল্যাহের্ মেয়ে হোসনে আরা বেগম রুপা (৫), একই এলাকার আলা উদ্দিনের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৩০), পূর্ব আজিম নগরের খোরশেদ আলমের স্ত্রী নুর জাহান (৬৫)

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে হাতিয়ার কেয়ারিংচর থেকে বর ও কনেসহ ৮০-৮৫ জন বরযাত্রী ভোলার ডালচর যাচ্ছিলেন। পথে হাতিয়া চেয়ারম্যান ঘাটের দক্ষিণ-পশ্চিমে মেঘনা নদীতে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় ট্রলারে থাকা যাত্রীরা নদীতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যান। ট্রলারটি স্রোতের তোড়ে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি এলাকার টাংকির ঘাট এলাকায় ভেড়ে। পরে স্থানীয়রা ওই নৌকা থেকে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করে। এর মধ্যে নববধূ, তিন শিশুকন্যা ও তিনজন নারী যাত্রী রয়েছেন।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইমরান হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ পর্যন্ত নববধূসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ২৫-৩০ জনের মতো জীবিত উদ্ধার হয়েছে। তবে এখনো বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে। তাদের উদ্ধারে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড ও পুলিশ।