সাতক্ষীরার আশাশুনিতে খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার দুই দিন পরও মেরামত না হওয়ায় প্লাবিত গ্রামগুলোতে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। কয়েকশ ঘরবাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে, তিনটি গ্রাম এখনও বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে, ফলে হাজার হাজার পরিবারে রান্নার চুলা জ্বলছে না।

আনুলিয়া ইউনিয়নের চেঁচুয়া গ্রামের বাসিন্দা রওশন আরা বেগম বলেন, ‘সকাল থেকে কিছু শুকনো খাবার দিয়ে সন্তানদের চালিয়েছি। কিন্তু দুপুরে রান্না করার কোনো সুযোগ পাইনি। চারপাশে শুধু পানি আর পানি। চুলা তো ভিজেই গেছে, জ্বালানোর মতো শুকনো কাঠও নেই।’

স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আশপাশের আরো গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। এরই মধ্যে আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছট, বল্লভপুর, নয়াখালী, বাসুদেবপুর, আনুলিয়া, কাকবাশিয়া, মীর্জাপুরসহ ১০টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, বুধবার (২ এপ্রিল) জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. মেসবাহ কামাল মুন্না দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করবেন। স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ জানান, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কৃষ্ণা রায় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত বেড়িবাঁধ সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।