দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেয়ার
কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। তিনি বলেন,
‘দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিনিময় হারের উদারীকরণ একটি ভালো
পদক্ষেপ। আমরা উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিতে চাই। পণ্য ও বাজার বৈচিত্র্যের ওপরও
গুরুত্বারোপ করতে হবে। আমরা আরএমজিতে ফোকাস দেব।’
মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এমসিসিআই)
ও পলিসি রিচার্স অ্যান্ড ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) আয়োজনে বাজেট আলোচনায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার (১২ জুন) এমসিসিআইয়ের কার্যালয়ে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত
হয়।
তিনি বলেন, ‘ব্যাংক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে ব্যাংকটির ঋণ দেয়ার ক্ষমতা
এবং ঋণ গ্রহণের উপযুক্ততা বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া ব্যাংকটির সামগ্রিক অবস্থাও বিবেচনা
করতে হবে। বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে যখন সরকার ঋণ নেয়, সে ঋণের ওপর আমানতকারীরা ব্যাংক
থেকে কিছু মুনাফা পেয়ে থাকেন। ঋণের টাকা বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরিতে ব্যয় করা হয়। সেখান
থেকেও সমাজে সুবিধা বিস্তার হয়।’
এনবিআরের সাবেক এ চেয়ারম্যান বলেন, ‘করপোরেট করে অংশীদাররা সন্তুষ্ট।
অগ্রিম কর পরে সমন্বয় করে পাওনা ফিরিয়ে দিতে হবে। কোন ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠানকে করের
আওতায় আনবে আর কোন ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠানকে অব্যাহতি সুবিধা দেবে এটা এনবিআরের পলিসি।
বেকারত্ব দূর করতে আরো সরকারি বিনিয়োগ প্রয়োজন রয়েছে। বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আনতে
হবে। প্রতিবন্ধকতা দূর করতে হবে।’
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধে ড. আহসান এইচ মনসুর উচ্চ মূল্যস্ফীতি, ডলারের
ঘাটতির কারণে আমদানি হ্রাস এবং রফতানি বৃদ্ধিতে ধীরগতির কারণ চিহ্নিত করে সামষ্টিক
অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।










