ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ক্যাম্পাসসহ আশপাশের এলাকার ভ্রাম্যমাণ দোকান থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে প্রক্টরিয়াল মোবাইল টিমের বিরুদ্ধে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আজ বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সাবেক সহকারী প্রক্টর মো. মাকসুদুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং সহকারী প্রক্টর লিটন কুমার সাহাকে সদস্য সচিব করে গঠিত তদন্ত কমিটির অপর সদস্য রোকেয়া হলের আবাসিক শিক্ষক দিলারা জাহিদ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রক্টরিয়াল টিমের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করেছেন উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। কমিটিকে অভিযোগ তদন্ত করে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রক্টরিয়াল টিমের বিরুদ্ধে কারো কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে তা কমিটিকে জানাতে বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব লিটন কুমার সাহা বলেন, আমাদের লক্ষ্য থাকবে নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায় আবার কোনো অপরাধীও যেন রেহাই না পায়।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একটি ইংরেজি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ঢাবি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন অংশে তিন শতাধিক অবৈধ ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে বছরে ৫০ লাখ টাকার বেশি চাঁদা আদায় করে আসছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল  টিমের কয়েকজন সদস্য। চাঁদাবাজির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রক্টর কার্যালয়ের টোকেনম্যান শামীম হোসাইন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে নির্ধারিত লাইনম্যানদের মাধ্যমে চাঁদার টাকা তার হাতে এসে পৌঁছায়। পরে এ টাকার ভাগ পায় প্রক্টর অফিসের সেকশন অফিসার মো. রেজাউল করিম, প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য মো. জুয়েল, মাসুদ রানা, হামিদুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, মো. আবদুল্লাহ, মো. মিরাজ, মো. মেহেদী, আমিনুল ইসলাম, কৃষাণ, মো. সালাউদ্দিন ও মো. জাহিদ।

এদিকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এক অভিযুক্ত। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, আমার যা বলার কমিটিকেই বলব। আমার জায়গা থেকে আমি শতভাগ সঠিক। আশা করি নির্দোষ প্রমাণিত হব।