সদ্য সমাপ্ত অক্টোবর মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৮৭ কোটি বা ২ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। এ নিয়ে টানা পাঁচ মাস ধরে প্রবাসীদের পাঠানো আয় ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে অবস্থান করছে। সবশেষ চলতি বছরের মে মাসে ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রবাসী আয়ে উল্লম্ফন দেখা দেয়। সে ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের মে পর্যন্ত টানা ছয় মাস রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল। মাঝে একবার মার্চে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলারের ঘরেও পৌঁছায় প্রবাসী আয়। দেশের ইতিহাসে এক মাসে আসা সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ছিল সেটিই। পরবর্তী দুই মাসে প্রবাসী আয় কমলেও তা ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি ছিল। এপ্রিলে দেশে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার ও মে মাসে ৩ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার। এরপরই প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আবারো কমতে থাকে।
টানা ছয় মাসের পর গত জুন মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের কম রেমিট্যান্স আসে দেশে। সে মাসে ২ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠায় প্রবাসীরা। এরপর জুলাই মাসে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার। একইভাবে আগস্টে ২ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন এবং সেপ্টেম্বরে ২ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে।
সদ্য সমাপ্ত অক্টোবর মাসেও রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করতে পারেনি। যদিও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ১ শতাংশ। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাস রেমিট্যান্স এসেছে ১১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১০ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ডলার। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৩ শতাংশ।
প্রবাসী আয়ের ওপর নির্ভর করে স্থিতিশীল রয়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ৩৬ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী, ৩১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার।










