চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিরাহিমপুর গ্রামে ‘বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল বিনা মসুর-৮-এর চাষাবাদ ও সম্প্রসারণে গতকাল মাঠ দিবস ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) বিনা উপকেন্দ্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ পরিচালিত গবেষণার অংশ হিসেবে এ মাঠ দিবস উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মো. হাসানুজ্জামানের সভাপতিত্ব্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট উদ্ভিদ প্রজননবিদ ও বিনার মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন বিনার পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. আব্দুল মালেক।

মাঠ দিবস অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. জুবায়ের আল ইসলাম প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আমন ও বোরো ফসলের মাঝখানে রবি ফসল মসুর চাষ করলে শস্য নিবিড়তা বাড়বে, যা দেশে আমিষ জাতীয় খাদ্য চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। চাষকৃত বিনামসুর-৮-এর ফলন বিঘাপ্রতি ৮-৯ মণ। মসুর চাষে সাধারণত সেচের প্রয়োজন হয় না। মসুর কাটার পর মুগ ও তিল চাষ করলে  এক জমিতে তিন ফসল হবে। এতে কৃষক লাভবান হবে।

বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ক্রমান্বয়ে নিম্নগামী হওয়া ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় বিনা নানা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুই ফসলি শস্য পরিক্রমা আমন-বোরো পরিবর্তে আমন-রবি-বোরো ও আমন-রবি-আউশ পরিক্রমায় বিনা উদ্ভাবিত রবি মৌসুমে সরিষা, মসুর ও গম চাষ করা হচ্ছে।