সাজেক ভ্যালি পর্যটন কেন্দ্রসহ রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় পর্যটন ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণে লাগবে জেলা পরিষদের অনুমোদন। গতকাল দুপুরে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
এর আগে সোমবার জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিমের সই করা এক আদেশে জানানো হয়, পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনের আলোকে পর্যটন খাত জেলা পরিষদের তফসিলভুক্ত। স্থানীয় পর্যটনসংক্রান্ত কার্যাদি জেলা পরিষদ আইন অনুসারে সরকার পার্বত্য জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তরও করেছে। তবে ইদানীং লক্ষ করা যাচ্ছে, সাজেকসহ বিভিন্ন এলাকায় অনুমোদন না নিয়ে বাণিজ্যিক ভবন ও পর্যটন স্থাপনা নির্মিত হচ্ছে।
১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকারের সঙ্গে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি’ স্বাক্ষর হয়। চুক্তি স্বাক্ষরের ১৬ বছর পর ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট স্থানীয় পর্যটন খাত জেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করে সরকার।
মূলত রাঙ্গামাটির সাজেক ভ্যালি উপত্যকায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ আগুনে রিসোর্ট-কটেজ, হোটেল-রেস্তোরাঁ, স্থানীয়দের বসতবাড়িসহ ৯৮টি স্থাপনা পুড়ে যায়। এ ঘটনায় নানা আলাপ-আলোচনার পর প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পর্যটন ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের ক্ষেত্রে জেলা পরিষদের অনুমোদনের প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করেছে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ।










