দেশের প্রাকৃতিক গ্যাস রফতানি নয়, বিদেশ থেকে গ্যাস (এলএনজি) এনে প্রক্রিয়াজাত করে তা ভারতে রফতানি করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। গতকাল দুপুরে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামের আউটার স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একটা ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে, ভারতকে বাংলাদেশ গ্যাস দিয়ে দিচ্ছে। আসলে বিদেশ থেকে আনা আমদানীকৃত গ্যাস প্রক্রিয়াজাত করে তা ভারতে রফতানি করা হবে।
বিশ্বের অন্য দেশগুলো যেভাবে এলএনজি প্রক্রিয়াজাত করে রফতানি করে তার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, এতে বাংলাদেশেরই লাভ হবে।
ভারতের সঙ্গে পানিবণ্টন নিয়ে কিছু মানুষ বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, মানবিক বিষয়ের কথা মাথায় রেখে ফেনী নদীর কিছু পানযোগ্য পানি ভারতকে দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেই বিভিন্ন সময় আন্তঃচুক্তি হয়ে থাকে। এরই অংশ হিসেবে আরো চুক্তি হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির শীর্ষ বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত সাতটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়। এছাড়া তিনটি যৌথ প্রকল্প উদ্বোধন করেন তারা। গত শনিবার সইকৃত সমঝোতা স্মারকের আওতায় ফেনী নদীর ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করতে পারবে ভারত, ওই পানি তারা ত্রিপুরা সাবরুম শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ব্যবহার করবে। এছাড়া উপকূলে সার্বক্ষণিক মনিটরিং ব্যবস্থার (কোয়েস্টাল সার্ভিল্যান্স সিস্টেম-সিএসএস) বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে দুই দেশ, চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর দিয়ে ভারতীয় পণ্য পরিবহনের বিষয়ে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) সই হয়েছে, চুক্তি হয়েছে বাংলাদেশকে দেয়া ভারতের ঋণের প্রকল্প বাস্তবায়নে, সহযোগিতা বিনিময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ইউনিভার্সিটি অব হায়দরাবাদের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। আর সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিনিময় নবায়ন এবং যুব উন্নয়নে সহযোগিতা নিয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
আউটার স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারে ট্যুরিস্ট বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন।
সিলেট ট্যুরস অ্যান্ড










