পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, গত সোমবার, ঈদুল আজহার তৃতীয় দিন বিকেলে স্থানীয় সরকার বাড়ি মোড়ে কয়েকজন ক্যারাম খেলছিল। এ সময় তাদের মধ্যে খেলা নিয়ে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে তাদের থামানোর চেষ্টা করেন মারুফ। তখন স্থানীয় সাচ্চু মিয়া ও তার ছেলে আবদুল্লাহ তার ওপর ছুরি দিয়ে হামলা করেন। ছুরিকাঘাতে তলপেটে মারাত্মক জখম হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য মারুফকে ঢাকায় রেফার করেন চিকিৎসক। ঢাকার একটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে মারা যান মারুফ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন জানান, ঘটনার পর থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। তবে বুধবার সকালে মারা যাওয়ার পর পরিবার থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে।