রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এফ-৭ বিজিআই মডেলের প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি উদ্ধারে কাজ করছে একটি ভারী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রেন। সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে দুর্ঘটনার পর বিকাল থেকেই বিমানটির ভগ্নাবশেষ সরাতে এই ক্রেন ব্যবহার শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিমানটি কলেজ ভবনের ছাদে আঘাত করার পর সঙ্গে সঙ্গে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। আর মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালায়।
ফায়ার সার্ভিসের পর উদ্ধার কাজে যোগ দেয় সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা। বিমানটি ভবনের যেসব অংশে ধাক্কা দেয়, সেখানে ব্যাপক ধ্বংসের চিত্র দেখা যায়। ধ্বংসস্তূপ ও বিমানের ভাঙা অংশ সরাতে দুপুরের পর আনা হয় ক্রেন। এরপর থেকেই ধীরে ধীরে সরানো হচ্ছে ভেতরে আটকে থাকা অবশিষ্ট ধ্বংসাবশেষ।
ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধার কাজ প্রায় শেষের দিকে।
উল্লেখ্য, সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়। এতে ভবনে আগুন ধরে যায় এবং বহু শিক্ষার্থী ও কলেজকর্মী হতাহত হন। এ ঘটনায় আগামীকাল মঙ্গলবার সারা দেশে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।















