এখন পর্যন্ত
পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের যা কিছু
জব্দ হয়েছে তাতে অপরাধলব্ধ আয় এবং অপরাধলব্ধ সম্পদ পাওয়া গেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে
হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তিনি বণিক
বার্তাকে বলেন, এর ভিত্তিতে মামলা করতে আইনগত অসুবিধা নেই। তবে মামলা কখন করা হবে সে
সিদ্ধান্ত নেবে দুদক। পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান
রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত দুদক অপেক্ষা করবে। অনুসন্ধান রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেবে
দুদক।
আজ বৃহস্পতিবার
(১৩ জুন) এ কথা জানান খুরশীদ আলম খান ।
এ আগে গতকাল
তৃতীয় দফায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদ ও তার
পরিবারের সম্পদ জব্দ করার আদেশ দেন আদালত। ঢাকা মহানগর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ
আস্সামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন।
বেনজীরের ক্রোক
করা স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে- নারায়গঞ্জের রূপগঞ্জে ২৪ কাঠা জমি, উত্তরায় ৩ কাঠা
জমি, বাড্ডায় দুটি অফিস স্পেস ও বান্দরবান জেলায় ২৫ একর জমি (লিজ)। এ ছাড়া ঢাকার আদাবরের
বেনজীরপত্নী জিশান মির্জার নামে থাকা ৬টি ফ্ল্যাট।
এছাড়াও প্রথম
দুই দফায় গত ২৩ মে ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজীর ও তার পরিবারের নামে গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুরে
৬২১ বিঘা জমি, ১৯টি কোম্পানির শেয়ার, গুলশানে ৪টি ফ্ল্যাট ক্রোকের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।
এ ছাড়া ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩৩টি ব্যাংক হিসাব এবং তিনটি বিও হিসাব (শেয়ার ব্যবসার
বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত।










