চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সোনাইছড়া সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ায় সেচের আওতায় এসেছে ১০০ একর অনাবাদি কৃষিজমি, যা আগে পাহাড়ের ঢলে নিমজ্জিত থাকত। এক বছর ধরে স্লুইস গেটের দরজার লকে ত্রুটি থাকায় পরিমাণমতো পানিপ্রবাহ ধরে রাখা যাচ্ছে না। ফলে বোরো ও সবজি আবাদে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয় কৃষকদের।

সোনাইছড়া পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি লিমিটেড ও বারৈাঢালা ন্যাশনাল পার্কের নির্বাহী কমিটির সভাপতি মো. সরওয়ার উদ্দিন বলেন, ‘সোনাইছড়া পানি প্রকল্পের মাধ্যমে পাহাড়ি ঢল থাকে বলে এলাকার কৃষিজমি রক্ষা পাচ্ছে। এছাড়া ফলছে বোরো ও সবজি।’ স্লুইস গেটের দরজায় ত্রুটি বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি এলজিইডি কার্যালয়ে জানানো হয়েছে।’

স্লুইস গেটের দরজা বন্ধের দায়িত্বে থাকা সোনাইছড়া প্রকল্পের গাইড মো. ইউসূফ বলেন, ‘তিন মাস আগে ২৫ হাজার টাকা খরচ করে দরজার লকটি মেরামত করা হয়েছে। কিন্তু পুনরায় লকের ভেতর থাকা পাইপটি বাঁকা হয়ে গেছে। তাই দরজা বন্ধ করতে দেরি হয়ে যায়। এতে লেকের পানি বের হয়ে পড়ে।’

এলজিইডি উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সোনাইছড়া পানি প্রকল্প নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে খইয়াছড়া ইউনিয়নের ৫, ৬, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এখন বোরো ও রবিশস্য চাষাবাদ হচ্ছে। সোনাইছড়া ঝরনার রাস্তা উন্নয়ন ও তিনটি সেতু নির্মাণের বিষয়টি আমরা জানি। বাজেট এলে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হবে। ১৪ লাখ টাকায় স্লুইস গেটের দরজাসহ লকটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’