চতুর্থ ধাপের ইউপি নির্বাচনে সুনামগঞ্জের তিন উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সাতজন, স্বতন্ত্র (বিএনপি) চারজন, স্বতন্ত্র (আওয়ামী বিদ্রোহী) নয়জন, জাতীয় পার্টির একজন চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্যে বেসরকারিভাবে এসব ফলাফল জানা গেছে।

গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টাপ পর্যন্ত ভোট গ্রহণের পর রাতে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুরাদ উদ্দিন হাওলাদার ফলাফল ঘোষণা করেন।

বিজয়ী হলেন যারা- জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে আঙ্গুর মিয়া ৪ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী সিরাজুল হক আনারস প্রতীকে ৩ হাজার ৪৮৬ ভোট পেয়েছেন।

রানীগঞ্জ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ছদরুল ইসলাম ৭হাজার ১৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) শহিদুল ইসলাম রানা আনারস প্রতীকে ৪ হাজার ২৩৭ ভোট পেয়েছেন।

সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৬৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মুকিতুর রহমান চশমা প্রতীকে ৪ হাজার ৬৮৬ ভোট পেয়েছেন।

চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নে প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বকুল আনারস প্রতীকে ৫ হাজার ১২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) আরশ মিয়া চশমা প্রতীকে ৩ হাজার ৩০০ ভোট পেয়েছেন।

কলকলিয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিক আহমদ আনারস প্রতীকে ৫ হাজার ৮৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে আলাল হোসেন রানা ৫ হাজার ১৮৯ ভোট পেয়েছেন। আশারকান্দি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী আইয়ুব খান মোটর সাইকেল প্রতীকে ৪ হাজার ৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকা প্রতীকে আব্দুস সত্তার ৩ হাজার ২০ ভোট পেয়েছেন।

পাইলগাঁও ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মখলুছ মিয়া ঘোড়া প্রতীকে ৪ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক মিয়া চশমা প্রতীকে ৪ হাজার ৪৭১  ভোট পেয়েছেন।

এদিকে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে সুলোকাবাদা ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে নুরে আলম সিদ্দিকী তপন বিজয়ী হেয়েছেন। পলাশ ইউনিয়নে মোটর সাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী মো. সুহেল আহমদ সুহেল, ধনপুর ইউনিয়নে ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী মো. মিলন মিয়া, দক্ষিন বাদাঘাট ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছবাব মিয়া ও ফতেহপুর ইউনিয়নে জাতীয় পার্টির প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে মো. ফারুক মিয়া বিজয়ী হয়েছেন।

দিরাই উপজেলার নয় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে রফিনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে শৈলেন্দ্র কুমার তালুকদার বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া করিমপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে লিটন চন্দ্র দাস লিটু, জগদল ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে হুমায়ুন রশীদ লাভলু, ভাটিপাড়া ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী বদরুল ইসলাম চৌধুরী মিফতাহ, রাজা নগর ইউনিয়নে চশমা প্রতীকে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী জহিরুল ইসলাম জুয়েল, চরনারচর ইউনিয়নে আনারস প্রতীকে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী পরিতোষ রায়, সরমঙ্গল ইউনিয়নে চশমা প্রতীকে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন জুয়েল, তাড়ল ইউনিয়নে চশমা প্রতীকে স্বতন্ত্র (বিএনপি) প্রার্থী আলী আহমদ, কুলঞ্জ ইউনিয়নে মোটরসাইকেল প্রতীকে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী) প্রার্থী একরার হোসেন বিজয়ী হয়েছেন।