একটি অদৃশ্য হাত সুযোগ বুঝে আলুর বাজারকে
অস্থিতিশীল করে তুলছে বলে মন্তব্য করেছেন ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ
এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন,ভোক্তা পর্যায়ে সরকার নির্ধারিত দাম ৩৫ কেজিতে খুচরা বাজারে
আলু বিক্রির কথা থাকলেও আলুর রাজধানী হিসেবে পরিচিত মুন্সিগঞ্জে নির্দেশনা কার্যকর
হয়নি এখনো। উল্টো সম্প্রতি সরকারের বেঁধে দেয়া দামের ঘোষণায়, পাইকারি পর্যায়ে ৮
থেকে ১০ টাকা প্রতি কেজিতে আলুর দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। হিমাগারে পর্যাপ্ত
আলুর মজুদ থাকার পরও অযৌক্তিক কারণে কয়েক দফা মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে পাইকারি বাজারে।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায়
মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে আলুর বাজারের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে এসে েএকটি কোল্ড স্টোরেজ
নামের একটি হিমাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, হিমাগারে এখনো মজুত আছে
পর্যাপ্ত পরিমাণ আলু আছে। মজুদকৃত এইসব আলু বস্তাবন্দী করে প্রতিদিনই বিক্রির উদ্দেশে
পাঠানো হচ্ছে রাজধানী ঢাকাতে। এ বছর যে পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়েছে এতে দেশে আলুর কোনো
ঘাটতি নেই। একটি অদৃশ্য হাত আলুর বাজারকে অস্থির করেছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আলুর
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী ভোক্তা
পর্যায়ে আলু দাম বাস্তবায়ন করতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
পরে বিকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে
হিমাগার মালিক ও আলু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মত বিনিময় সভায় ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে
কঠোর নির্দেশনা দেন ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।
হিমাগার পরিদর্শন কালে ও মতবিনিময় সভায়
উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক আবু জাফর রিপন, পুলিশ সুপার আসলাম খাঁন, জেলা ভোক্তা সংরক্ষণ
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম, জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের পরিচালক ওয়াহিদুর
রহমানসহ আরো অনেকে।










