পুষ্টির চাহিদা মেটানো ছাড়াও বৈদেশিক ব্যয় কমিয়ে আনতে পাবনায় কফি ও
কাজুবাদাম চাষের পরীক্ষামূলক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল দিনব্যাপী এক কৃষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে পাবনা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৯০ জন কৃষককে তিন দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে।
কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পাবনা জেলার চারটি উপজেলাকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। পাবনা সদর উপজেলাতে তিনটি কফি ও আটটি কাজুবাদামের প্রদর্শনী পাওয়া গেছে।
পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আব্দুল কাদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাসান রশীদ হোসাইনী, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার শামীম আরা নীপা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নুসরাত কবীর ও কুন্তলাঘোষ প্রথম দিনে প্রশিক্ষক হিসেবে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেন।
কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, পুষ্টিকর ও ওষধি গুণসম্পন্ন এ ফসল দুটি মূলত পেরু, ব্রাজিল, মেক্সিকোসহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপকভাবে আবাদ হয়। সম্প্রতি ভারত ও ভিয়েতনামে এ ফসল আবাদ হচ্ছে। সেখান থেকে ব্যক্তি উদ্যোগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিন জেলায় এ আবাদ শুরু হয়। এতে সাফল্য আসার পর প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরীক্ষামূলকভাবে কাজুবাদাম ও কফির আবাদ সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যয় কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
তিনি আরো জানান, পুষ্টি ও
ওষধি গুণ থাকায় দিন দিন বাংলাদেশে ফসল দুটির চাহিদা বাড়ছে। বাজারে প্রতি কেজি কাজুবাদাম ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কফিও দামি পানীয় হিসেবে বিক্রি হয়। আবাদটি সম্প্র্রসারিত হলে কৃষকরা অনেক লাভবান হবেন।










