তৃতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির দেশী শ্রমিকরা। গতকাল খনির কয়লা সরবরাহ গেটের ভেতরে ও বাইরে এ অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল করেন শ্রমিকরা।
পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ২৭ এপ্রিল দুপুর ১২টা থেকে খনির মূল ফটকে পরিবারসহ তারা এ বিক্ষোভ ও অবস্থান শুরু করেন। এর আগে ২১ এপ্রিল খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর দুই দফা দাবিতে স্মালকলিপি দিয়ে দাবি মেনে নিতে বুধবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন শ্রমিকরা, দাবি না মানায় এ অবস্থান কর্মসূচি করছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রবিউল ইসলাম বলেন, দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবস্থান কর্মসূচি চলবে। রবিউল ইসলাম জানান, চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের অধীনে খনিতে মোট ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশী শ্রমিক কাজ করছিলেন। দুই বছর আগে করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে কর্মরত ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশী শ্রমিককে বাধ্যতামূলক ছুটি দেয়া হয়। এরপর চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪০০ জন শ্রমিককে কাজ করার শর্তে ফেরত নেয়। বাকি ৭৪৭ জনকে কাজে যোগদানের সুযোগ না দিয়ে বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে। সামনে ঈদ কিন্তু কর্তৃপক্ষ খনি অভ্যন্তরে কর্মরত শ্রমিকদের খনির বাইরে বের হতে দিচ্ছে না।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামরুজ্জামান খান বলেন, ঈদ উপলক্ষে এরই মধ্যে বাইরের ৮৫০ জন শ্রমিককে জনপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে মোট ৫৫ লাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। বর্তমানে খনির একটি ফেজ চালু রয়েছে, যা শেষের পথে। তাই জনবল কম লাগছে, সেই সঙ্গে থাকার জায়গাও কম। আরো একটি ফেজ চালু করার প্রস্তুতি চলছে, যার জন্য মাস দুয়েক সময় লাগবে।










