চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ২৭ শিক্ষককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এছাড়া বহিষ্কার করা হয়েছে তিন পরীক্ষার্থীকে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মোরেলগঞ্জের পোলেরহাট আজহারিয়া দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে গতকাল দাখিল পরীক্ষার প্রশ্নপত্র স্মার্টফোনে ফাঁসের অপরাধে আল-আমিন খান নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। একই সঙ্গে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ২১ শিক্ষককে এক বছরের জন্য অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আল-আমিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম তারেক সুলতান বলেন, ‘এটি একটি চক্র। ওই চক্রের সঙ্গে অনেকেই জড়িত। আল-আমিনের ফোনে প্রশ্নপত্র পেয়েছি। সে শিক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহ করছিল। প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার অপরাধে আল-আমিন ও দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া ওই কেন্দ্রে দায়িত্বরত ২১ শিক্ষককে এক বছরের জন্য কেন্দ্রের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নতুন করে নিয়োগ দেয়া কক্ষ পরিদর্শকরা পরবর্তী পরীক্ষাগুলোয় দায়িত্ব পালন করবেন।’

অন্যদিকে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে এসএসসি ও সমমানের বিজ্ঞান পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তিন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ছয় শিক্ষককে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রানীগঞ্জ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের পৃথক তিনটি কক্ষে তিন পরীক্ষার্থীর কাছে থেকে প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিল থাকা উত্তরপত্রের ফটোকপি পাওয়া গেছে। বিষয়টি কেন্দ্রটির ট্যাগ অফিসার উপজেলা রিসোর্স ইন্সট্রাক্টর শহিদুল ইসলাম কর্তৃক্ষকে জানান।

ঘোড়াঘাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ ওই তিন পরীক্ষার্থী কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষকের কাছে থেকে উত্তরপত্রের ফটোকপি পেয়েছে বলে জানিয়েছে। ওই শিক্ষকদের বিষয়ে আমরা অনুসন্ধান করছি। তাদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে।’