জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করে আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কর্মচারীর বিরুদ্ধে বাসার ট্রাংকে মদের বোতল পাওয়াসহ নানা অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মো. রমজান আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন অফিসের ড্রাইভার (লাইট) পদে কর্মরত ছিলেন।
গতকাল রোববার (১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তিভিত্তিক রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত আলাদা দুটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অন্অয ভিযোগগুলো হল জন্ম সনদ, স্মার্ট কার্ড, লাইসেন্সের, একাডেমিক সনদ ও পরিচয়পত্রে মিল না থাকা, রমজান আলী কর্তৃক তার স্ত্রী ফাহমিদা খাতুনকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার এবং মেরে ফেলার হুমকি প্রদান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২০ তারিখ সিন্ডিকেটের বিশেষ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রমজান আলীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তদন্ত করার লক্ষ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশ ৫। (খ) ১ ধারা অনুযায়ী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ এ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. বি এম কামরুজ্জামানকে। একইসঙ্গে ডেপুটি কম্পট্রোলার জাহিদুল হককে সদস্য এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেয়ার কথাও বলা হয়েছে।










