ঝালকাঠিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে পদযাত্রায়
হামলায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্তত ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের বাধারও
মুখোমুখি হন তারা।
আজ শনিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে
সদর উপজেলার নথুল্লাবাদ, গাবখান-ধানসিঁড়ি ও কেওড়া ইউনিয়নে সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। নবগ্রাম
ইউনিয়নে বিএনপির পদযাত্রা থেকে ব্যানার কেড়ে নিয়ে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।
গুরুতর আহত সদর উপজেলা কৃষকদলের সদস্য মো.
লুৎফর রহমান মোল্লা (৪৫), নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ লাভলু
(৪২) ও কেওড়া ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি মাহাতাব হোসেন (৪০) ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে
চিকিৎসা নিচ্ছেন। ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান (৫০) স্থানীয়ভাবে
চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদের মধ্যে শেখ লাভলুকে কুপিয়ে ও মাহাতাব
উদ্দিনকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি
উপলক্ষে বিভিন্ন ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা শুরু হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের
হামলায় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।
তবে নবগ্রামে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে বক্তব্য
রাখেন জেলা স্বোচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক সরদার সাফায়েত হোসেন, জেলা ছাত্রদলের
সভাপতি আরিফুর রহমান খান।
ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট
শাহাদাৎ হোসেন বলেন, জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগ,
যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কুপিয়ে ও হামলা চালিয়ে অসংখ্য নেতাকর্মীদের আহত করেছে।
এর সঙ্গে পুলিশ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে, এটা ন্যাক্কারজনক।
অভিযোগের জবাবে ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের
যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নজরুল
ইসলাম জাহাঙ্গীর বলেন, বিএনপির কিছু দুস্কৃতকারী আমাদের ইউনিয়নে ঢুকে বিশৃঙ্খলা করছিল।
এলাকার শান্তিকামী জনতা তাতে বাধা দেয়। এতে দু-একজন আহত হতে পারে।
ঝালকাঠি সদর থানার এসআই মো. আরেফিন বলেন,
নবগ্রামে বিএনপির নেতাকর্মীরা কর্মসূচির নামে সড়কে বিশৃঙ্খলা করছিল। এতে পথচারীদের
চলাচলে সমস্যা হয়। তাদের অনুরোধে বিএনপি নেতাকর্মীদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিই।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি মো. নাসির উদ্দিন সরকার
বলেন, নবগ্রাম ও নথুল্লাবাদে ছোটখাট কিছু বিষয়ের খবর আমরা পেয়েছি। এছাড়া কেওড়া ও গাবখান-ধানসিঁড়ি
ইউনিয়নের কোন ঘটনা আমাদের জানা নেই। এ ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছি।










