বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক শামসুজ্জামান বলেছেন, বর্তমানে ট্রেনে কৃষিপণ্য পরিবহন শূন্যের কোটায়। বাংলাদেশ রেলওয়ে আবার পণ্য পরিবহনে ঘুরে দাঁড়াতে চায়, এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ আগ্রহে ২০১৯ সালে বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়ন ও তদারকি হচ্ছে।

গতকাল যশোর ও ঝিনাইদহের নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে ঝিনাইদহের বারোবাজার রেলওয়ে স্টেশনে এক সভায় এ কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ রেলওয়ে নতুন প্রকল্পের আওতায় কৃষিপণ্য পরিবহন সহজলভ্য করার উদ্দেশ্যে কৃষক, ব্যবসায়ী ও নাগরিকদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করে।

এ প্রকল্পের জন্য ৪০টি লোকোমোটিভ ইঞ্জিন ও ১২৫টি লাগেজ ভ্যান কেনা হচ্ছে। ভ্যানগুলোর মধ্যে ৫০টি ব্রড গেজ ও ৭৫টি মিটার গেজ। বিশেষ এসব ট্রেনে শাকসবজি পরিবহনের জন্য থাকবে সাধারণ ভ্যান। আর মাছ, মাংস, দুধসহ হিমায়িত খাদ্য পরিবহনের জন্য থাকবে রেফ্রিজারেটেড ভ্যান।

ট্রেনগুলো চালু হলে একদিকে কৃষকরা লাভবান হবেন, তেমনি ভোক্তারাও কম দামে পণ্য কিনতে পারবেন। কারণ অন্য জেলা থেকে ঢাকায় কৃষিপণ্য আনার ক্ষেত্রে যে পরিমাণ খরচ হতো ব্যবসায়ীদের, ট্রেনের ক্ষেত্রে তার অর্ধেকেরও কম পড়বে। এসব বিশেষ ট্রেনে কৃষিপণ্যগুলোও সতেজ থাকবে।