পঞ্চগড়ের দুটি সীমান্ত দিয়ে আরো নয়জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দিয়েছে (পুশ-ইন) ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। বৃহস্পতিবার রাতে তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা ও সদর উপজেলার হাঁড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্ত দিয়ে তাদের পুশ-ইন করা হয়।
বিজিবি জানায়, বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে এক নারী ও তার তিন সন্তানকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় বিএসএফ। পরে বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে তেঁতুলিয়া থানায় হস্তান্তর করেন। এছাড়া সদর উপজেলার হাঁড়িভাসা ইউনিয়নের ঘাগড়া সীমান্ত দিয়ে আরো পাঁচ নারীকে ঠেলে পাঠানো হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তাদের পঞ্চগড় সদর থানায় হস্তান্তর করেন।
একই দিন পপি নামে এক তরুণীকে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর সীমান্ত দিয়ে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে বিএসএফ। পপি ভারতের শিলিগুড়িতে তার স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতেন ও স্থানীয় একটি মন্দিরে কাজ করতেন। সম্প্রতি তাকে আটক করে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে শিলিগুড়ি থানা পুলিশ। পরিচয় নিশ্চিতের পর তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরুল ইসলাম ও পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ হিল এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে পঞ্চগড়ের দুই সীমান্ত দিয়ে ১৭ জনকে ঠেলে দেয় বিএসএফ। সদর উপজেলার ঘাগরা ও তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর সীমান্ত দিয়ে তাদের ঠেলে দেয়া হয়। এছাড়া ১৬ জুলাই রাতের আঁধারে পঞ্চগড়ের দুটি সীমান্ত দিয়ে ২৪ জনকে ‘পুশ-ইন’ করে বিএসএফ। তাদের মধ্যে বোদা উপজেলার মালকাডাঙ্গা সীমান্তে দিয়ে ১৭ জন ও সদর উপজেলার শিংরোড সীমান্ত দিয়ে সাতজনকে পুশ-ইন করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ভারতের দিল্লিতে শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ৬ জুলাই তাদের আটক করে ভারতের পুলিশ। পরে তাদের বিএসএফের হাতে তুলে দেয়া হয়। এ নিয়ে গত দুই-তিন মাসে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ১৫৭ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠায় বিএসএফ।










