নরসিংদীতে খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে টেঁটাবিদ্ধ হয়ে ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলার মাধবদী থানার চরাঞ্চল চরদীঘলদী ইউনিয়নের জিতরামপুরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকালে মাইকে ঘোষণার পর এ সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন, জিতরামপুর গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছেলে দুলাল (৫০) ও রুবেল মিয়া, বাদল মিয়ার ছেলে খায়রুল (৩৭), মৃত শুক্কুর আলীর ছেলে খালেক মিয়া (৬০), খালেক মিয়ার ছেলে জাকির (৩০) ও মাইনউদ্দিনের ছেলে জাকির (৪৮)। এদের মধ্যে খায়রুল (৩৭) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত সোমবার (৩ নভেম্বর) ও মঙ্গলবার (০৪ নভেম্বর) দুপক্ষের ২ দফা সংঘর্ষের পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল বলে জানান মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, চরদীঘলদী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড জিতরামপুরে খেয়াঘাটে ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা আদায় ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে স্থানীয় শহিদ মিয়া মেম্বার ও চাঁন মিয়া গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত সোম ও মঙ্গলবার দুপক্ষের সংঘর্ষে আটজন আহত হওয়ার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হয়। আজ সকালে পুলিশ চলে গেলে জিরতরামপুরে উত্তর পাড়া মাদ্রাসার মাইকে ঘোষণা দিয়ে ফের টেঁটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায় দুপক্ষের লোকজন। এতে টেঁটাবিদ্ধসহ উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়।
মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, ভোরে শহিদ মেম্বারের লোকজন চাঁন মিয়ার লোকদের উপর হামলা করলে সংঘর্ষে বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। আমরা তিনজন আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। অপরাধীদের গ্রেফতারে অভিযান পরিচালনা করা হবে। তবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষের ব্যাপারে তিনি অবগত নন বলে জানান।










