জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল (এমএইচ হল) ভাঙার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চিঠির প্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিষয়টি বণিক বার্তাকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু হাসান ।
তিনি বলেন, `এক বছর আগে মীর মশাররফ হোসেন হল পাঁচ দিনের মধ্যে খালি করতে চিঠি দিয়েছিল রাজউক। না হলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা মিলিটারি ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে বিশেষজ্ঞ মতামত নিয়ে তাদের জানাতে বলেছিল। তা না করায় সম্প্রতি ফের চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। এর প্রেক্ষিতে গত সিন্ডিকেট সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমদ আনসারীকে নিয়োগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি পরীক্ষা-নিরীক্ষাপূর্বক ঝুঁকি নিরূপণ প্রতিবেদন প্রণয়নের পর তা জমা দিলে সিন্ডিকেটে উপস্থাপন হবে। সিন্ডিকেট পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।'
এর আগে, গত বছরের ১২ মার্চ রাজউকের এক সভায় আরবান রেজিলিয়েনন্স প্রজেক্টের আওতায় প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের ৪২টি ভবন ভেঙ্গে ফেলা বা পরিত্যক্ত ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট দপ্তর-সংস্থাগুলোতে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। ১৯৭৩ সালে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয় এ হলের। ২ একর ৮১ শতাংশ জায়গা জুড়ে নির্মিত প্রজাপতি আকৃতির এ হলের স্থপতি ছিলেন সৈয়দ মাজহারুল ইসলাম।










