তিনি বলেন, ‘২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রম শুরু করলে এটা আরো কমে যাবে। আশা করি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

গতকাল বিকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

টিকার কোনো ঘাটতি নেই জানিয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘কোনো টিকার ঘাটতি নেই। সব ধরনের টিকার পর্যাপ্ত মজুদ আছে। গ্রাম এলাকায় ও আমাদের হাতে যে পরিমাণ ভ্যাকসিন মজুদ আছে, তা দিয়ে আগামী জুন পর্যন্ত বিনা বাধায় আমরা ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারব। তবে আগামী মাসে একটা জায়গায় আমাদের কিছু ঘাটতি দেখা দিতে পারে, সেটা হলো ৫ মিলি সিরিঞ্জ। সে ঘাটতি পূরণ করতে আমরা এরই মধ্যে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখছি।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে এটি পাইপলাইনে আছে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে আমরা সিরিঞ্জের এ ঘাটতিও পূরণ করতে পারব। ইউনিসেফের মাধ্যমে আমরা আংশিক সিরিঞ্জ আগামী সাতদিনের মধ্যে নিয়ে নেব। বাকিগুলো মে মাসের মধ্যে তারা আমাদের সরবরাহ করবে।’

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যেভাবে হামের রোগী নিয়ে ঢাকায় আসা হয়, তাতে ঢাকার হাসপাতালগুলোর ওপর কিছুটা চাপ পড়ে। সে সমস্যা সমাধানে আমরা রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। আমাদের কিছু জনবলের ঘাটতি আছে, সেগুলো এরই মধ্যে চিহ্নিত করেছি। শিগগিরই এ সমস্যার সমাধান হবে।’

দেশে চলমান টিকা কার্যক্রম নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অতি স্বল্প সময়ের মধ্যে ইউনিসেফ, গ্যাভি, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের সহায়তায় দেশব্যাপী টিকা কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী ২০ এপ্রিল বৃহৎ পরিসরে শুরু হবে।’

এ সময় স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও ইপিআই-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।