অল্প সময়ের মধ্যেই সম্ভাব্য সব অশুল্ক বাধা দূর করতে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকেও সমস্যার তালিকা চেয়ে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে জাপানিজ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন ইন ঢাকা (জেসিআইএডি), জাপান বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (জেবিসিসিআই) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেইটিআরও) ঢাকা অফিসের আয়োজিত ‘স্ট্র্যাটেজিক ডিসকাশন অন অ্যাডভান্সিং বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট (ইপিএ)’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। তারা যেসব বিষয় চিহ্নিত করেছে, আমরা প্রতিটিরই সমাধানে কাজ করছি। একইভাবে জাপানি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও নির্দিষ্ট সমস্যা জানতে চাই, যাতে দ্রুত সমাধান করা যায়।’
ইপিএ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জাপানকে হালকা প্রকৌশল খাতে বিনিয়োগ, বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প অনুসন্ধান এবং গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি) খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জাপান মানের জন্য পরিচিত। জাপানের বাজারে যোগ্যতা অর্জন করতে পারলে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা করা সম্ভব।’
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনইচি সাইদা বলেন, ‘ইপিএ কেবল একটি চুক্তি নয়, বরং এটি বাংলাদেশের জন্য উন্নত আসিয়ান দেশগুলো যেমন ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার উন্নয়নপথ অনুসরণের একটি সুযোগ। শিল্পোন্নত দেশে পরিণত হতে হলে আপনাদের “আপস্ট্রিম” শিল্পে নজর দিতে হবে। শুধু চূড়ান্ত পণ্য নয়, বরং তার উপাদান ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনেও জোর দিতে হবে।’
রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, ‘এ চুক্তি স্বল্পমেয়াদি নয়, বরং আগামী ১৫ বছর বা তারও বেশি সময়ের জন্য পরিকল্পিত। এটি শুধু শুল্ক কমানো নয়, বরং ব্যবসায়িক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির একটি কাঠামো।’










