খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় জোড়া মরদেহ উদ্ধারের
ঘটনায় ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কোনো মামলা হয়নি। এছাড়া মর্গে পড়ে আছে একজনের মরদেহ।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাটিরাঙ্গা থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোহাম্মদ জাকারিয়া।
তিনি জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর গতকাল বুধবার
(২৬ জুলাই) দুপুরে জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। সেখানে প্রীতিময়
চাকমা নামের একজনের স্ত্রী, সন্তান ও বোনসহ এলাকবাসীর খোঁজ পাওয়া গেলে মর্গ থেকে স্বজনদের
কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
অপরদিকে আলোপম চাকমার মরদেহ হাসপাতালের
হিমঘরে রয়েছে। এখন পর্যন্ত যেসব স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে তারা কেউই মরদেহ
নিতে রাজি হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারো পক্ষ থেকে অভিযোগ
দায়ের হয়নি থানায়। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে খতিয়ে দেখছে। পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেয়া
হবে জানিয়েছেন ওসি।
গতকাল বুধবার সকালে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা
উপজেলার রিচাং ঝর্ণা এলাকা সংলগ্ন জার্মপ্লাজম সেন্টার থেকে প্রীতিময় চাকমা ও আলোপম
চাকমার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয় জুম চাষীরা জার্মপ্লাজমের রাস্তা
দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পাশাপাশি দুটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেবেন।
সঙ্গে থাকা পরিচয়পত্র থেকে প্রীতিময় ও
আলোপমের পরিচয় মেলে। আলোপমের বয়স ৪৭ বছর, তিনি জেলা সদরের মধুপুর এলাকার বাসিন্দা।
অপরজনের বাড়ি দীঘিনালা উপজেলার কৃপাপুরে।
একাধিক সূত্র জানিয়েছে, নিহত দুজনই পাহাড়ের
আঞ্চলিক সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক-ডেমোক্রেসির (ইউপিডিএফ-গণতান্ত্রিক) বহিষ্কৃত সদস্য।










