কালীগঞ্জ থানার ওসি এটিএম গোলাম রসুলের বিরুদ্ধে উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় উপজেলা ছাত্রলীগ সংবাদ সম্মেলন করেছে। তবে এ পুলিশ কর্মকর্তা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গতকাল শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাজিদ মাহবুব মেলভিন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কোনো কমিটি নেই। তাই আমি জাতীয় শোক দিবসে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করি। ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে মিজানুর রহমানসহ নেতাকর্মীরা। এতে কতিপয় নেতা ক্ষিপ্ত হয়ে হয়তো বা ওসি এটিএম গোলাম রসুলকে দিয়ে মিজানুরকে বাড়ি থেকে ডেকে এনে থানায় আটক রেখে মানসিক নির্যাতন করেছে। বিষয়টি জেলা ছাত্রলীগ ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

আরো জানানো হয়, মিজানুরকে গুলি করে হত্যা ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলার হুমকিও দেয়া হয়।

এদিকে ওসি গোলাম রসুল অভিযোগ অস্বীকার করে আজ রোববার বলেন, গত ৩১ আগস্ট কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সম্মেলনের সময় হঠাৎ মিজানুরসহ কতিপয় যুবক মিছিল করে। এতে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা দেখা দেয়। একটি জিডির বিষয়ে শনিবার মিজানুর থানায় এলে এই বিষয়ে তার সঙ্গে আমার কক্ষে কথা হয়েছিল। খারাপ আচরণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।