তিনি সরকারি ক্রয়ে প্রকিউরমেন্ট লিড টাইম আরো কমিয়ে আনার লক্ষ্যে বিপিপিএকে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
গতকাল বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন চত্বরের বিপিপিএর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির ১০ সদস্যবিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সিনিয়র ভাইস চেয়ার ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ভাইস চেয়ার ও বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব সিরাজুন নূর চৌধুরী এবং পরিচালনা পর্ষদের অন্য সদস্যরা।
প্রকিউরমেন্ট লিড টাইম বলতে দরপত্র আহ্বান থেকে চুক্তি স্বাক্ষর পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। বিপিপিএর প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা সংস্কারের প্রশংসা করে আমির খসরু বলেন, ‘ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) সিস্টেম এবং বিপিপিএর গৃহীত বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগের ফলে সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম প্রায় ১০০ দিন থেকে কমে ৫৪ দিনে নেমে এসেছে, যা অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। তবে প্রকল্প বাস্তবায়ন আরো ত্বরান্বিত করতে এটি আরো কমিয়ে আনতে হবে।’
প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। দক্ষতা, প্রতিযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া আরো দ্রুত সম্পন্ন করা গেলে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং উন্নয়নের সুফল দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছাবে।’
বিপিপিএর পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি হিসেবে তিনি সরকারি ক্রয়ে প্রতিযোগিতা বাড়ানো এবং ক্রয়ের মানোন্নয়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, ‘সরকারি ক্রয় ব্যবস্থার কার্যকারিতা যত উন্নত হবে, প্রকল্প বাস্তবায়ন তত বেশি সময়োপযোগী ও ফলপ্রসূ হবে।’
আমির খসরু বলেন, ‘পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে হবে।’ এ লক্ষ্যে তিনি প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ে বসে দাপ্তরিক কার্যক্রম তদারক করবেন বলে জানান। সভায় এর আগে বিপিপিএর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সচিব) এস এম মঈন উদ্দীন আহম্মেদ বিপিপিএর প্রতিষ্ঠা, সাংগঠনিক কাঠামো, আইনগত দায়িত্ব, ই-জিপি ব্যবস্থার অগ্রগতি, চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত অগ্রাধিকার বিষয়ে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা দেবেন।










