আজ বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। শিক্ষকদের স্মরণ ও তাদের সম্মান জানানোই দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য।

ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৯৪ সাল থেকে প্রতি বছর এ দিনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে আসছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য হলো, ‘শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো: পেশার সুরক্ষায় ৬০ বছর, মর্যাদা এগিয়ে নেওয়া ও আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা’।

এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হচ্ছে। আজ দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে দিবসটির অংশ হিসেবে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত কেন্দ্রীয় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি নির্বাচিত শিক্ষকদের হাতে নগদ ২ লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেবেন।

এ বছর প্রথমবারের মতো প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিভিন্ন শ্রেণিতে মোট ১০০ জন নির্বাচিত শিক্ষককে জাতীয় পর্যায়ে ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ দেয়া হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুণী শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদা বাড়ানো ও পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে এ বছর জাতীয় সম্মাননার সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ১০০ করা হয়েছে। দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে তাদের বাছাই করা হয়েছে।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের নীতিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং উপজেলা, জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হবে।

এবার প্রাথমিক স্তরে ১০টি, মাধ্যমিক স্তরে ২০টি, কলেজে ২৫টি, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০টি, চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ে ১০টি, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ে চারটি এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ কোটায় পাঁচটি সম্মাননা দেয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে সম্মাননা পাচ্ছেন ১০০ জন শিক্ষক।

প্যারিসে ১৯৯৩ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবরকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর ১৯৯৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালন শুরু হয়। ইউনেস্কোর অনুমোদনে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।