কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে স্বর্ণকার ইমরান শেখ (২২) হত্যা মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড, দুজনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০১৮ সালে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন শহিদুর রহমান ওরফে পিরু মিঠুন। তিনি কুমারখালী উপজেলার দড়িকোমর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে। আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাউজিং এস্টেট এলাকার ফজলুল বিশ্বাসের ছেলে মেহেদী হাসান জর্জ ও কুমারখালী উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের ফরিদুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান। একই সঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কুমারখালী উপজেলার সনদাহ গ্রামের শহীদ বিশ্বাসের ছেলে নাহিদ হাসান, খোকসা উপজেলার চকহরিপুর গ্রামের মুন্সি নাসির উদ্দিনের ছেলে মুন্সি অনিক হাসান ওরফে ইমরান ও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার তুলশীতলা গ্রামের আফাজুদ্দীনের ছেলে ওয়াদুদ ওরফে রাজু। একই সঙ্গে তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজের দুদিন পর ২০১৮ সালের ১৬ মার্চ সকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের দৌড়গরিয়া গ্রামের ভুট্টাখেত থেকে ইমরানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পেশায় স্বর্ণকার ইমরান হোসেন দৌড়গরিয়া গ্রামের বাদশা শেখের ছেলে।