গত সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রুনা টাওয়ার নামের ১১ তলা ভবনটিতে এ ঘটনা ঘটে। এতে কেউ হতাহত হয়নি। তবে গুলির ঘটনায় ওই এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পুলিশ ও ভবনসংশ্লিষ্টরা জানান, ভবনটির মালিক হাজী মোহাম্মদ ইউসুফের দুই ছেলে মধ্যপ্রাচ্যপ্রবাসী। সোমবার তার বড় ছেলে শওকতের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ইন্টারনেটের একটি বিদেশী নম্বর থেকে ভয়েস বার্তা পাঠিয়ে ১ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকিও দেয়া হয়।

ভবনের নিরাপত্তাকর্মী মো. আলমগীর বলেন, ‘রাতে বিদ্যুৎ না থাকার সময় প্যান্ট-শার্ট পরা দুই যুবক এসে তাকে গেট বন্ধ করে ভেতরে থাকতে বলেন। পরে তারা গেট লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে হেঁটে চলে যান। গুলির শব্দে স্থানীয়রা জড়ো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।’

ভবন মালিক মো. ইউসুফ জানান, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ১ ঘণ্টা সময় দিয়ে তার ছেলে শওকতের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে চাঁদার জন্য ভয়েস বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে আমার ছেলেমেয়েরা কোথায় কী করেন, তাদের জীবনবৃত্তান্ত এবং কোথায় কোথায় বাড়ি আছে, সবই তাদের জানা। বড় ভাইয়ের কথামতো ৫০ লাখ টাকা দিতে হবে। না হলে মেরে ফেলা হবে বলে জানানো হয়।

সিএমপির উপকমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। কারা গুলি ছুড়েছে, তা শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের তথ্যও সংগ্রহ করছে।

পাঁচলাইশ থানার ওসি জাহেদুল ইসলাম জানান, হামজারবাগের একটি বাড়িতে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি।