ঝালকাঠিতে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা অসহযোগ কর্মসূচি ও বিক্ষোভ মিছিল চলাকালীন আন্দোলনকারীদের সাথে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক, পৌর কাউন্সিলর রেজাউল করিম জাকিরসহ উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হবার খবর পাওয়া গেছে।
আহতদের মধ্যে যাদের নাম জানাগেছে তারা হলেন, রাসেল সিকদার (৩০), মো.সাইমুন (১৬), নয়ন (৪৫), তপন দাস (৩৮ ), আলভী (৩০), আরিফ (২৪ ), প্রসেনজিৎ (১৭ ), মো. সাগর (২৮), আবু সালে (৩২), মো. শুভ (২৪ )। শহরের কামারপট্টি ও ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকায় আজ রোববার (৪ আগস্ট) বেলা
সাড়ে ১১টায় এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে সকাল ১০টায় শহরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়। সেখান থেকে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান নেয়। মিছিল থেকে এক দফার দাবির সমর্থনে স্লোগান দেয়া হয়। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে শহরের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণের সময় সরকার দলীয় সমর্থকদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ইট পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
এদিকে কাঠালিয়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচি চলাকালে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়। এ সময় দুর্বৃত্তরা বিআরটিসি বাসসহ বেশ কয়েকটি গাড়ি ও মোটরসাইকেল ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে।
এদিকে সকাল থেকেই শহরে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল। শিক্ষার্থী ও সরকার দলীয় সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো মুহিতুল ইসলাম বলেন, এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেফতার নেই। বর্তমানে শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।










