মানিকগঞ্জে আধুনিক পদ্ধতির মালচিং পেপারে সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। এই পদ্ধতি ব্যবহারে সবজির উচ্চ ফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে মালচিং পেপারে সবজি চাষ। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষককে উদ্বুদ্ধ করছে ওয়েভ ফাউন্ডেশন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ গ্রামের কৃষক তৌকির খান আধুনিক পদ্ধতির মালচিং পেপার ব্যবহার করে চিচিংগা, ধুন্দল, করলা, শসা, টমেটো, বরবটিসহ নানান জাতের সবজির আবাদ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন। উন্নত জাতের এসব সবজি মানিকঞ্জের বিভিন্ন বাজারসহ ঢাকা ও আশপাশের জেলায় বিক্রি করে বেশ লাভবান হচ্ছেন তিনি। তৌকির জানান, আগে স্বাভাবিকভাবে সবজির চাষ করে উৎপাদন কম হতো। মালচিং পদ্ধতিতে চাষ করে সবজির উৎপাদন আগের তুলনায় অনেকে বেড়েছে।
তৌকিরের মতো আরো বহু কৃষক এখন মালচিং পেপারে সবজির চাষ শুরু করেছেন। কৃষকরা জানান, মালচিং পদ্ধতি ব্যবহারে জমিতে কোন আগাছা হয় না, দিতে হয় না কোনো ধরনের রাসায়নিক সার, কম হয় পরিশ্রমও। তাদের দেখাদেখি আরো কৃষকরা পলিথিন মালচিং ব্যবহার করে চাষাবাদে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
মালচিং পদ্ধতিতে চাষাবাদে কৃষকদের সহায়তা ও উদ্বুদ্ধ করতে প্রকল্প নিয়েছে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশনের সহযোগী সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশন। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের নানাভাবে সহযোগিতা করছে সংস্থাটি।
কৃষি কর্মকর্তারা জানান, পলিথিন মালচিং পরিবেশবান্ধব আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে চাষাবাদে কীটনাশক কম ব্যবহার করে ও নিরাপদ ও বিষমুক্ত সবজি উৎপাদন করা যায়। মাঠ পর্যায়ের কৃষকের এই পদ্ধতি ব্যবহারে নানান পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।










