ভারত থেকে আমদানি বাড়ায় দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় চালের সরবরাহ বেড়েছে। দুদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পণ্যটির দাম কমেছে কেজিতে ২-৩ টাকা। আমদানির পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম আরো কমবে বলে জানিয়েছেন আমদানিকারকরা।
হিলি স্থলবন্দর সূত্রে জানা গেছে, প্রথম দিকে বন্দর দিয়ে ৫-১০ ট্রাক চাল আমদানি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ৮০-১০০ ট্রাকে দাঁড়িয়েছে। দুদিন আগেও বন্দরে সরু চাল ৬৬ টাকা কৃজি দরে বিক্রি হলেও এখন ৬৩-৬৪ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আর মোটা চাল ৫০ টাকা থেকে নেমে ৪৯ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
হিলি স্থলবন্দরে চাল কিনতে আসা অনুপ বসাক বলেন, ‘বন্দর দিয়ে চালের আমদানি যেমন বেড়েছে তেমনি দামও কমতে শুরু করেছে। দুদিন আগেও আমরা বন্দর থেকে সরু চাল ৬৬-৬৭ টাকা কেজি দরে কিনেছি। দুদিনের ব্যবধানে কেজিতে চালের দাম ২-৩ টাকা করে কমেছে।’
চাল আমদানিকারক ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১২ আগস্ট থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। প্রথম দিকে শুল্ক ৬৩ দশমিক ৫ শতাংশ থাকায় আমদানির পরিমাণ কম ছিল। ১৯ আগস্ট আমদানি শুল্ক কমায় চাল আমদানির পরিমাণও বাড়িয়ে দেন আমদানিকারকরা। আমদানির ফলে দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল সেটি কেটে গেছে। আমদানি শুরুর দিকে যে চাল ৭০-৭১ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছিল, এখন তা ৬৩-৬৪ টাকায় নেমে এসেছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি ৭ টাকা করে কমেছে সরু চালের দাম। এছাড়া মোটা চাল ৫২ টাকা ছিল। সেটিও এখন ৪৯ টাকায় নেমে এসেছে।’
হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানির পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। আমদানীকৃত চাল বন্দরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত শুল্কায়ন শেষে খালাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বাজারে চাল নিয়ে কোনো অস্থিতিশীল পরিবেশ যেন সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে কাস্টমসের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’










