গণ-অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে দেশের জনগণ শুধু ফ্যাসিবাদের পতন ঘটায়নি, ভারতের আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদকে উচ্ছেদ করেছে। কাজেই চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের জায়গা হবে না। আওয়ামী লীগ এ দেশে আর রাজনীতি করতে পারবে না।’ গতকাল দুপুরে গণ-অধিকার পরিষদ পঞ্চগড় শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাবেক এ ভিপি বলেন, ‘প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ ও ন্যায্যতার সম্পর্ক হবে। গোলামির সম্পর্ক হবে না। আওয়ামী লীগ বিগত সময় সীমান্ত হত্যার কোনো প্রতিবাদ করেনি।’
জুলাই-আগস্টে গণহত্যার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে নুরুল হক নূর বলেন, ‘পৃথিবীর ইতিহাসে এ ধরনের গণহত্যা এবং বর্বরতার পর কোনো রাজনৈতিক দল সেই দেশে রাজনীতি করতে পারেনি। আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের কোনো আপস হবে না। রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের ভুলে গেলে চলবে না সুবিধাবাদী চিন্তার কারণেই ১৬ বছরে তাদের ডাকে মানুষ রাস্তায় নামেনি। জনগণ আন্দোলন সংগ্রাম করেনি। ছাত্র-জনতাকে বিশ্বাস করেই বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলার জন্যই বুক পেতে দিয়ে আন্দোলন করেছিল।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের আমলে যে লুটপাট, দখলদার ও চাঁদাবাজদের রাজনীতি চলেছিল, গণ-অভ্যুত্থানের পরও এর পরিবর্তন হয়নি। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখেন এখনো চাঁদাবাজি হচ্ছে কিনা। আওয়ামী লীগ তো পালিয়ে গেছে, তাহলে কারা চাঁদাবাজি করছে। চাঁদাবাজদের তো আমরা বুকের রক্ত দিয়ে হটিয়েছি, দখলবাজদের তো আমরা জীবন দিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছি। তাহলে এখন চাঁদাবাজ, দখলদার কারা?’










