এতে কেউ হতাহত না হলেও বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত শুরু করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) কমিশনার আবু রায়হান মো. সালেহসহ আদালতের বিচারকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আদালত এলাকায় নিরাপত্তাও জোরদার করা হয়েছে।
বিএমপি কমিশনার বলেন, ‘বাইরে থেকে কেউ বস্তুটি ছুড়ে মেরেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজে কে এটি ছুড়ে মেরেছে, তা স্পষ্টভাবে শনাক্ত করা যায়নি। তবে ঘটনাস্থলের তথ্য ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে বস্তুটি ককটেলসদৃশ বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই ঘটনাটি ঘটানো হয়ে থাকতে পারে।’
ঘটনাস্থলে থাকা অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইম সিন ইনচার্জ খলিলুর রহমান জানান, বিস্ফোরণস্থল থেকে কাচের গুঁড়া, প্লাস্টিক ও বারুদের উপকরণ সংগ্রহ করা হয়েছে।
এসব আলামত পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিস্ফোরণের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে ঘটনাস্থলে ব্যাপক বিধ্বংসী কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
বিএমপির উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার বলেন, ‘আদালতের নিরাপত্তা নিয়ে জেলা জজ ও দায়রা জজদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। সিআইডি ঘটনাটি তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত জানানো হবে।’
ঘটনার পরও আদালতের বিচারিক কার্যক্রম চলমান ছিল। সরজমিনে দেখা যায়, আতঙ্কের মধ্যেই বিচারপ্রার্থীরা আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ করছেন। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।










