ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে এনসিপির প্রার্থী মনিরা শারমিনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত নথি চাওয়া হয়েছে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আজ নির্বাচন ভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, জামায়াতের মনোনীত ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে যাচাই করা হয়েছে। যাচাইকৃত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, মারজিয়া বেগম, সাবিকুন নাহার মুন্নি, মারদিয়া মমতাজ, নাজমুন নাহার নীলু, মাহফুজা সিদ্দিকা, সাজেদা সামাদ, সামসুন নাহার, মনিরা শারমিন, মাহমুদা আলম, তাসমিয়া প্রধান ও মাহবুবা হাকিম।
সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিতে আগামীকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় পাচ্ছেন তিনি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্রে তার পূর্ববর্তী পেশা হিসেবে সরকারী চাকরির উল্লেখ রয়েছে এবং তিনি তার বিবৃতিতে সরকারী বেতন কাঠামোর বিষয়ও উল্লেখ করেছেন। এ কারণে তার কাছে প্রমাণপত্র চাওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সরকারী চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর তিন বছর পূর্ণ না হলে সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।
মনিরা শারমিন ২০২৩ সালের ১১ নভেম্বর বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে যোগ দেন এবং গত বছরের ডিসেম্বরে চাকরি ছাড়েন। ফলে চাকরি ছাড়ার মাত্র চার মাস হওয়ায় তার প্রার্থিতা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তার মনোনয়ন বাতিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।










