সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটস অ্যাপে ভুল তথ্য প্রচারের বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দিয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বুধবার (২০ মার্চ) মেটা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এক বৈঠকে এ তাগিদ দেন তিনি। রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারে নিজ দফতরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফেসবুক হলো মানুষকে সংযুক্ত করার একটি মাধ্যম। এটাকে আমরা শুধুমাত্র একটি কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করি না। আমি এর পজিটিভ দিক নিয়ে কাজ করছি ও ভবিষ্যতেও চাই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচারের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে। 

বৈঠকে পলক বলেন, বাংলাদেশ ফেসবুকের কাছে নিয়মিত তথ্য চায়। কিন্তু ২০১৬ সালে প্রথম তথ্য দেয় ফেসবুক। দেশের জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা যেন কোনো তথ্য ফেসবুকের কাছে চাওয়া মাত্রই পাই সেজন্য বাংলাদেশে একটি আঞ্চলিক অফিস স্থাপনের পূর্বের ন্যায় এবারেও বলা হয়েছে। 

তিনি বলেন, সরকারি-বেসরকারি সেবাকে আরো সহজ করার লক্ষ্যে দেশে এআই পাওয়ার্ড গভর্নমেন্ট ব্রেইন তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এআই’র নেতিবাচক ব্যবহার কমানো এবং ঝুঁকি কমানোর জন্য সরকার একটি এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স) আইন করতে চায়। যদি মেটা চায় এআই পলিসির খসড়া প্রণয়নে অংশগ্রহণ করতে পারে।

তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, পার্সোনাল ডাটা প্রটেকশন অ্যাক্ট (পিডিপিএ) এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) পলিসি শুধুমাত্র বাংলাদেশেরই নয়, এটি বৈশ্বিক ইস্যু। আমরা উদারনৈতিক ও আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ করছি। আমরা মেটাকে শুধুমাত্র একটি কোম্পানি বিবেচনা করি না, আমরা চাই ওরা প্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থান সৃজন ও উদ্যোক্তা তৈরি আরো বেশি মনোনিবেশ করবে। 

এ সময় বাংলাদেশে মেটার পাবলিক পলিসির প্রধান রুজান সারওয়ার, প্রাইভেসি, এআই ম্যাটার এক্সপার্ট আরিয়ান জিমেনেজ এবং কনটেন্ট বিষয় বিশেষজ্ঞ নয়নতারা নারায়ণ, আইসিটি বিভাগের এনহান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি প্রকল্পের পলিসি এডভাইজর এবং কম্পোনেন্ট লিডার (ডিজিটাল গভর্নমেন্ট এবং ডিজিটাল ইকোনমি)  মো. আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।