খেলাধুলার জন্য চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ১৬টি মডেল মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। মূলত শিশু-কিশোরদের মোবাইল আসক্তি কমানো ও সাংস্কৃতিক বিকাশে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মিরসরাইয়ের ১৬টি ইউনিয়নে খাসজমি উদ্ধার করে শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় আগ্রহী করে তুলতে খেলার মাঠ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। এরই মধ্যে প্রথম পর্যায়ে উপজেলায় ১৭ একর খাসজমি উদ্ধার করে করেরহাট, মঘাদিয়াসহ ১১টি ইউনিয়নে মাঠ প্রস্তুত করা হয়েছে।
সরজমিন উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ফেনী নদীর পাড়ঘেঁষে একটি খেলার মাঠ প্রস্তুতের কাজ চলছে। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান পশ্চিম জোয়ারের মাঠটি পরিদর্শন করেছেন।
উপজেলার হিঙ্গুলী ইউনিয়নের পূর্ব হিঙ্গুলী গ্রামের শিশু উদয় দে বণিক বার্তাকে বলে, ‘আমাদের খিল হিঙ্গুলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি বড় খেলার মাঠ ছিল। কিন্তু একের পর এক ভবন নির্মাণের কারণে খেলার মাঠ ছোট হয়ে গেছে। সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তুললে আমাদের খেলাধুলার আগ্রহ বাড়বে।’
করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ার গ্রামের শিশু মো. তাহসিন জানায়, খেলাধুলার মাঠ না থাকায় তারা খেলতে পারত না। কিন্তু এখন সরকার খেলার মাঠ তৈরি করে দেয়ায় খেলাধুলা করতে সুবিধা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলার করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের পশ্চিম জোয়ার এলাকায় ফেনী নদী পাড়ঘেঁষে একটি খেলার মাঠ রয়েছে। এরই মধ্যে উপজেলা প্রশাসন মাঠটি পরিদর্শন করেছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন বলেন, ‘চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নির্দেশে মিরসরাইয়ের ১৬টি ইউনিয়নে মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। ১১টি মাঠ প্রস্তুত হয়েছে। বাকিগুলো প্রস্তুতের প্রক্রিয়াধীন।’










