পাবনার বেড়ায় বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়া কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক যুবক প্রাণ হারিয়েছেন। গতকাল বিকালে ও আগের দিন রাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুরে বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো দুজন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে একজনের পরিচয় পাওয়া গেলেও বাকি দুজনের নাম-ঠিকানা জানাতে পারেনি পুলিশ।

আমিনপুর থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, বেড়া উপজেলার কাজিরহাট থেকে কাশিনাথপুরে যাচ্ছিল সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা। পথে নতুন বাজার কবরস্থানের কাছে পাবনা থেকে কাজিরহাটগামী হাসান পরিবহন নামে একটি বাস অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এ সময় অটোরিকশা উল্টে দুমড়েমুচড়ে ঘটনাস্থলেই শিশুসহ তিনজন নিহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার বেদুনদিয়া গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে সালভি ইসলাম (২৩)। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে।

কিশোরগঞ্জ: জেলার পাকুন্দিয়ায় অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে আরাফাত ইসলাম নাইম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল বিকালে উপজেলার চিলাকাড়া নামক এলাকায় পাকুন্দিয়া-কিশোরগঞ্জ পাকা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নাইম উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলাম রিটনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বিকাল ৫টার দিকে নাইম বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল করে কিশোরগঞ্জ শহরে যাচ্ছিলেন। চিলাকাড়া নামক এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ হয়। এ সময় নাইম ছিটকে রাস্তার ওপর পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। খবর পেয়ে স্বজনরা তার মরদেহ বাড়ি নিয়ে যান।

পাকুন্দিয়া থানার ওসি আসাদুজ্জামান টিটু জানান, এ ব্যাপারে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। নিজ বাড়িতে মরদেহ নিয়ে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছেন তারা।